লাবণ্যময়, সুস্থ ও মসৃণ ত্বকের জন্য
লাবণ্যময়,
সুস্থ ও মসৃণ ত্বকের জন্য
সূর্যালোক থেকে আগত অতি বেগুনি রশ্মি
‘ এ ’ এবং ‘ বি ’ ত্বকের জন্য ক্ষতিকর । অতি বেগুনি রশ্মি ‘ এ ’ ত্বকে বিভিন্ন ধরনের
অ্যালার্জি তৈরি করে এবং ‘ বি ’ ত্বক ক্যান্সার সৃষ্টি করে । এখানে উল্লেখিত পরামর্শগুলি মেনে চলা উচিত -
· প্রখর রোদে চলার সময় অবশ্যই ছাতা , মাথার বড় আকারের টুপি ব্যবার করা
উচিত ।
· সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত সরাসরি সূর্যালোকের সংস্পর্শ পরিহার
করে চলা উচিত ।
· উল্লেখিত সময়ে ঘরের বাইরে বের হলে প্রত্যেকের উচিত এসপিএ -১৫ –এর অধিক
স্বীকৃত উন্নতমানের ‘এ’ ও‘বি’ উভয় রশ্মিকে প্রতিরোধকারী সানস্ক্রিন ব্যবহার করে চলা
।
· রোদে বের হলে ফুলহাতা মোটা সুতির জামা পরিধান করতে হবে ।
ধূমপান , জর্দা ,তামাক
,সাদাপাতা ত্বকের অন্যতম প্রধান শত্রু । মুখ গহ্বরের ক্যান্সার ছাড়াও এগুলো ত্বকের
অল্প বয়সে বুড়িয়ে যেতে , বলিরেখা,ভাজ ও দাগ সৃষ্টি করতে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে।সুতরাং
সব বয়সের সবার উচিত ধুমপান পরিহার করা ।
ত্বককে লাবণ্যময়
,সুস্থ,সুন্দর মসৃণ রাখতে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস খুবই জরুরি । বিভিন্ন ধরনের দেশি ফলমূল
ও শাখসবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ,মিনারেল ও এন্টিঅক্সিডেন্ট । সবারই উচিত
যথেষ্ট পরিমানে এগুলো আহার করা । বিভিন্ন ধরনের মানুষের ত্বকের আর্দ্রতা বিভিন্ন রকম
হলেও হেমন্ত,শীত ও বসন্তকালে বাতাসের আদ্র্রতা কম থাকে বিধায় আনুপাতিক হারে শরীরের আদ্র্রতা ও হ্রাস পায় । তাই সবার উচিত –
· প্রতিদিন অন্তত ২ বার পুরো শরীরে লোশন ,তেল,ক্রিম, গ্লিসারিন ইত্যাদি
ময়েশ্চারাইজার প্রয়োগ করা ।
· মোটা ও শুষ্ক চামড়াযুক্ত স্থান যেমন হাত , পা , ঠোটে সাদা পেট্রোলিয়াম
জেলি প্রয়োগ করা ।
· গোসলের পর শরীরে সামান্য পানির স্তর থাকতে থাকতেই লোশন বা ময়েশ্চারাইজার
প্রয়োগ করা ।
· ২৪ ঘন্টায় অন্তত ২ থেকে ২.৫০ লিটার পানি পান বরা ।
· অতি শুষ্ক ত্বকের জন্য গ্লিসারিনযুক্ত সাবন ব্যবহার করা ।


No comments