Header Ads

Header ADS

হার্ট অ্যটাক থেকে বাচতে আজ থেকে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন ।

 জকাল প্রায় সব বয়সী মানুষই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন  তাই হৃদরোগের লক্ষণসমূহ এবং তা থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে আমাদের সবারই জেনে রাখা উচিত 

গবেষণায় দেখা যায়পারিবারিক ইতিহাস  জেনেটিক বৈশিষ্ট্যই হৃদরোগের ক্ষেত্রে প্রধান  নিয়ন্ত্রণের  কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়  তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়নিয়ন্ত্রণযোগ্য কারণেই মানুষ আজকাল হৃদরোগে আক্রান্ত হন বেশি  এসব কারণের মধ্যে রয়েছেউচ্চ রক্তচাপডায়াবেটিসধূমপানঅনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনমানসিক চাপ এবং অতিরিক্ত ওজন  বর্তমানে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ধরন হৃদরোগের অন্যতম বড় ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে  হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে দেখা গেছেজ্ঞানের স্বল্পতার কারণেই পরিস্থিতি প্রায়ই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় 

 তাই হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে কয়েকটি পূর্ব সতর্কতামূলক পদক্ষেপ জেনে নেওয়া ভালো  যার মাধ্যমে হৃদরোগের  প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে আগেভাগেই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া যায়  

                                                                                                                                                                 হঠাৎ হার্ট অ্যটাক হলে করণীয়      
.  যদি কেউ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন তাহলে প্রথমেই জরুরি বিভাগে ডাক্তার দেখাতে হবে  কারণ অভিজ্ঞ ডাক্তার ছাড়া কোনো চিকিৎসা করতে গেলে অনেক সময় রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়তে পারে 
.  হার্ট অ্যাটাকের পরপরই রোগীকে শক্ত জায়গায় হাত-পা ছড়িয়ে শুইয়ে দিন এবং গায়ের জামা-কাপড় ঢিলেঢালা করে দিন  ।
.  হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে বাতাস চলাচলের রাস্তাগুলো সব উম্মুক্ত করে দিন । এটি রোগীকে গভীরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সহায়তা করবে 
 .  হার্ট অ্যাটাকের পর হৃৎপিণ্ডে রক্তের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য বাজারে প্রচলিত ৩০০ মি.গ্রাডিসপ্রিন (অ্যাসপিরিন), ৩০০ মি.গ্রাক্লোপিডোগ্রেল , ৪০ মি.গ্রাঅ্যার্টভাস্টাটিন (Atova) এবং ৪০ মি.গ্রাওমিপ্রাজল খাইয়ে দ্রুত হৃদরোগ হাসপাতালে পৌঁছে দিন সেখানে কার্ডিওলজিস্ট দ্রুত পরীক্ষা করে প্রয়োজনে জরুরি অ্যান্জিওপ্লাস্টি (urgent PTCA ) সহ অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ।                                                                                                                                                               যে কারনে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে 
   1. তেলযুক্ত খাদ্য গ্রহন ।                                             2. মানসিক চাপের মধ্যে থাকা 
  3. রক্তে এল ডি এল (খারাপ) কোলেস্ট্রলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং এইচ ডি এল (ভাল) কোলেস্ট্রলের মাত্রা কমে যাওয়া 
  4. খাদ্যে এন্টি অক্সিডেন্টের অভাব 
  5. উচ্চ রক্তচাপ,ডায়াবেটিস এবং মদ খাওয়া 
  6. শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ওজন বৃদ্দি 
  7. তামাক (বিড়ি,সিগারেট,গুল,জর্দা) খাওয়া 
এগুলোর মধ্যে মনসিক চাপ এমন একটি ক্ষতিকর প্রক্রিয়া যা একাই হৃদরোগ সৃষ্টি করতে পারে মানসিক চাপের ফলে অনেক সময়ইঃ
  1. রক্তের চাপ বেড়ে যায় 
  2. হৃদপিন্ডের স্পন্দন বেড়ে যায় 
  3. রক্তের তেল(ফ্যাট) জমা হওয়ার কাজ দ্রুততর হয় 
  4. রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় 
  5. করোনারী এবং অন্যান্য ধমনীগুলো অধিক ক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে 
  6. রক্তেক্লটতৈরী হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় 
  7. ধমনীগিলোর ভিতরের দিকে(গায়ে) কোলেস্ট্রল ট্রাইগ্লিসারাইড জমা হতে থাকে 
উপরের কারন গুলো নিয়ন্ত্রণ যোগ্য । 
                                                           হার্ট অ্যটাক আপনাকে কাবু করতে পারবে না এই নিয়ম গুলো মেনে চললে


1.ধুমপান না করা
2.মাদক থেকে দূরে থাকা
3.দুশ্চিন্তা না করা
4.রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা
5.ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন
6.কলেস্টেরন নিয়ন্ত্রন
7.চর্বি জাতীয় খাদ্য কম খাওয়া
8.শাকসবজিফল বেশি খাওয়া
9.দেহের অতিরিক্ত ওজন ঝেড়ে ফেলা 
10.প্রতিদিন শারীরিক ব্যায়াম করা অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা ।    

                 এবার এই ব্যাপারে কিছু জানলেন । সুস্থ তাকুন , সাবধানে থাকুন ।






No comments

নিরামিষ নোনতা কেক তৈরির সহজ উপায় ।

উপকরণ   :       * পেস্ট্রির জন্য ময়দা ১২৫ গ্রাম, মাখন ৭৫ গ্রাম, নুন আধ চামচ ও ঠান্ডা পানি আন্দাজমতো ।         * পুরের জন্য বাঁধা...

Theme images by konradlew. Powered by Blogger.