করোনাভাইরাস থেকে বাচুঁন ,,, ।
চীনের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, করোনাভাইরাসের কারণে সেখানে অসুস্থতা বা মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে ।
করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি ।
২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস ।
''সার্সের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এখনো আমরা ভুলতে পারিনি, ফলে নতুন ভাইরাসের প্রচণ্ড ভীতির তৈরি হয়েছে ।
* লক্ষণগুলো
:
জ্বর দিয়ে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়, এরপরে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। প্রায় এক সপ্তাহ পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। অনেক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হয় ।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে হালকা ঠাণ্ডা লাগা থেকে শুরু করে মৃত্যুর সব উপসর্গ দেখা দিতে পারে ।
যখন আমরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কাউকে দেখতে পাই, আমরা বোঝার চেষ্টা করি লক্ষণগুলো কতটা মারাত্মক। এটা ঠাণ্ডা লাগার লক্ষণগুলোর চেয়ে একটি বেশি, সেটা উদ্বেগজনক হলেও, সার্সের মতো অতোটা মারাত্মক নয়, বলছেন ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবরার অধ্যাপক মার্ক উলহাউজ ।
বিশ্ব জুড়ে জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারির কথা ভাবছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যেমনটি তারা করেছিল সোয়াইন ফ্লু এবং ইবোলার সময় ।
* করনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনীয় :
ভাইরাস টি নিজে
থেকে ধ্বংস হবে না। চীনের কর্তৃপক্ষে
নেয়া পদক্ষেপই এই মহামারীর অবসান ঘটাতে পারে।
ভাইরাস প্রতিরোধক করতে কোন ভ্যাকসিন বা
টিকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি।
একমাত্র উপায় হলো অন্যদের মধ্যে
ভাইরাসের সংক্রমণ হতে না দেয়া।
যার
মানে হলো:
১.মানুষজনের চলাচল সীমিত করে দেয়া।
২.হাত ধুতে সবাইকে সবাইকে উৎসাহিত করা।
৩.স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিরক্ষামূলক পোশাক
পড়ে রোগীদের আলাদা আলাদা করে চিকিৎসা সেবা দেয়া ।
রোগীদের ভাইরাস রয়েছে কিনা তা জানতে এবং
রোগীদের সংস্পর্শে আসা লোকদের সনাক্ত করার জন্যও গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড বা নজরদারি
ব্যবস্থার প্রয়োজন।


No comments